Big good news for private sector employees

Big good news for private sector employees.Big good news for private sector employees .Big good news for private sector employees .Big good news for private sector employees .Big good news for private sector employees .Big good news for private sector employees .Big good news for private sector employees .Big good news for private sector employees .Big good news for private sector employees .Big good news for private sector employees .Big good news for private sector employees .Big good news for private sector employees Big good news for private sector employees .Big good news for private sector employees

বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর
আরটিভি নিউজ

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬ , ০৬:২৪ পিএম
বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর
প্রতীকী ছবি

দেশের বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীদের চাকরির নিরাপত্তা ও ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে যুগোপযোগী ও সমন্বিত ‘বেসরকারি সার্ভিস রুলস’ প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নতুন একটি বিধিমালা তৈরির কাজ শুরু করেছে। এর মাধ্যমে বেসরকারি খাতে ন্যূনতম বেতন, কর্মঘণ্টা, বিভিন্ন ধরনের ছুটি, বাধ্যতামূলক নিয়োগপত্র, বৈষম্য দূরীকরণ, হয়রানি প্রতিরোধ এবং চাকরির স্থায়িত্বের মতো বিষয়গুলোর আইনি ভিত্তি নিশ্চিত করা হবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ মে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হকের সভাপতিত্বে এ বিষয়ে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, চেম্বার ও বেসরকারি খাতের বিভিন্ন সংগঠনের মতামত নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে মতামত জানাতে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬’ ও ‘বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা-২০১৫’-এ প্রয়োজনীয় সংশোধন বা সংযোজন আনা হবে। এ জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিধি অনুবিভাগ) মোস্তফা জামানকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির প্রধান মোস্তফা জামান জানান, বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং বেসরকারি চাকরিজীবীদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ। তিনি বলেন, ‘বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীদের চাকরির নিরাপত্তাকে সরকার সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রায়ই দেখা যায়, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নিজেদের সুবিধামতো কর্মী ছাঁটাই করছে, নারী কর্মীরা মাতৃত্বকালীন ছুটি পাচ্ছেন না এবং অনেকে সার্ভিস বেনিফিট থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। এসব সমস্যা দূর করতেই এই সমন্বিত বিধিমালা তৈরির সিদ্ধান্ত।’ নতুন বিধিমালা চূড়ান্ত হওয়ার পর এটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব শ্রম মন্ত্রণালয়কে দেওয়া হতে পারে, কারণ তাদের নিজস্ব ট্রাইব্যুনাল রয়েছে।
আরও পড়ুন

বিমান ও পর্যটন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী আমিরাত

শ্রম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ কুদ্দুস আলী সরকার বলেন, বর্তমান আইন ও বিধিমালার যেসব ক্ষেত্রে চাকরিজীবীদের স্বার্থ সুরক্ষায় ঘাটতি রয়েছে, সেখানে নতুন বিধান যুক্ত করার পক্ষে মত দিয়েছে শ্রম মন্ত্রণালয়।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে উবার, পাঠাও বা ফুডপান্ডার মতো অনলাইন প্ল্যাটফর্মভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এবং গিগভিত্তিক সেবাদাতাদের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সার্ভিস রুলস নেই। নতুন উদ্যোগে এই উদীয়মান খাতগুলোকেও আলোচনার আওতায় আনা হয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে কর্মরত মোট জনশক্তির ৬৬ দশমিক ৪ শতাংশ কর্মীই বেসরকারি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত। এর বিপরীতে সরকারি খাতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ৪ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ।

ব্যবসায়ী নেতারা সরকারের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি ফজলুল হক বলেন, সমন্বিত সার্ভিস রুলস করা গেলে তা অবশ্যই ভালো হবে। তবে বেসরকারি খাত অত্যন্ত বহুমুখী হওয়ায় সবার জন্য অভিন্ন সার্ভিস রুলস তৈরি করা বেশ বড় একটি চ্যালেঞ্জ। তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বেসরকারি খাতের সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে নিবিড় আলোচনার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

আরটিভি/এআর

Copied from: https://rtvonline.com/

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top